‘নিঝুম দ্বীপের সেই ছেলেটি’ ইমদাদুল হক মিলন
বিলুর স্বভাব হচ্ছে সকালবেলা ঘর থেকে বেরিয়ে প্রথমেই আকাশের দিকে তাকানাে। আজও তাকাল। তাকিয়ে খারাপ মন আরও খারাপ হয়ে গেল। একই অবস্থা আকাশের। নিঝুম দ্বীপের আকাশ গতকাল থেকে মেঘলা। একে বর্ষাকাল তার ওপর চলছে তিন নম্বর বিপদ সংকেত। অবিরাম হুংকার করছে সমুদ্র। সমুদ্রের হাওয়া আর ঢেউ মিলে তুলকালাম চলছে। বৃষ্টিটা আছেই। ঝিরঝির করে ঝরছে। জেলে নৌকা আর মাছ ধরার ট্রলারের ভঙ্গিতে আকাশে ভাসছে মেঘ। সকাল হয়েছে অনেক আগে তাও আলাে তেমন ফোটেনি। আবছা অন্ধকারমতাে চারদিক। লােকজনের সাড়াশব্দ নেই। নামের মতােই নিঝুম হয়ে আছে পুরাে দ্বীপ। বর্ষাকালে ট্যুরিস্ট কম আসে দ্বীপে। সমুদ্র উত্তাল থাকে। বিশাল ঢেউ আর হাওয়ায় ট্রলারডুবির ভয়। খুবই সাহসী, ডাকাবুকো ট্যুরিস্ট ছাড়া সাধারণ ট্যুরিস্ট সমুদ্র পেরােতে সাহস পায় না। তার ওপর যদি থাকে খারাপ আবহাওয়া, বিপৎসংকেত তাহলে তাে কথাই নেই। হাতের মুঠোয় জীবন নিয়ে কে আসবে নিঝুম দ্বীপে! তারপরও দু-চারজন আসে। সাহসী ট্যুরিস্ট। হাতে ক্যামেরা, পিঠে হ্যাভারস্যাক। পরনে জিনস-টি-শার্ট। পায়ে কেডস। শীতকালে ট্যুরিস্টের ঢল নামে দ্বীপে শীতকাল জুড়েই ট্যুরিস্ট নিঝুম দ্বীপে। দ্বীপের ব্যবসায়ী...